রোদের হাত থেকে বাঁচতে বাহারি শ্রাগস-এর ফান্ডা

 

 শীত কবেই পাততাড়ি গুটিয়েছে। বসন্তও দ্বারে টোকা দিয়ে পালিয়েছে। এদিকে, গ্রীষ্মকাল জ্যাম ছেড়ে বেরিয়ে প্রায় পৌঁছয় পৌঁছয়… গরম মানেই প্যাঁচপ্যাঁচে ঘাম, ত্বকের বারোটা বাজা… আর হ্যাঁ, গ্রীষ্মকাল মানেই ত্বকে সানবার্নটাও ওই ঠান্ডাইয়ের ওপর এক্সট্রা টপিংসের মতো ফ্রি! উপরিপাওনা আর কী! সানবার্নের জন্য ত্বকে ছোপছোপ কালোভাব তো অবশ্যাম্ভাবী। আর গরমে খুব বেশি ঢাকা পোশাক পরাটাও বিরক্তিকর, কারণ এতে গরম লাগে বেশি। তাই অনেকেই এসময়ে স্লিভলেস কিংবা ছোট হাতার পোশাক পরেন। অন্যদিকে, সানস্ক্রিন ব্যবহারের কথাও রোজকার ব্যস্ততা কিংবা তাড়াহুড়োর জন্য বেশির ভাগ সময়েই মাথা থেকে বেড়িয়ে যায়। আর এতেই ঘটে যত বিপত্তি। এক স্লিভলেস পোশাক আর উপরন্তু সানস্ক্রিনের যথাযথ ব্যবহার না করার ফলে ত্বকের আর সমস্যার সঙ্গে দোসরের মতো সানবার্নও চলে আসে। উপায় কী? রোদ আর সানবার্ন-এর রক্তচক্ষুকে এড়িয়ে দিব্যি নিজের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট বজায় রাখতে পারেন। কীভাবে? সেই টিপস রইল নিচে।

ফুলহাতা থেকে ছোটঝুলের হাতা হালফিল ফ্যাশনেবল শ্রাগস আজকাল আকছার পাওয়া যায়। শপিং মল হোক কিংবা হাতিবাগান, গড়িয়াহাট ফুটের বাজার সব জায়গাতেই ঢেলে বিক্রি হচ্ছে ভিন্ন রকম ডিজাইনের শ্রাগস। চেরা উলের বোনা শ্রাগস, গেঞ্জি মেটিরিয়ালের শ্রাগস হোক কিংবা সুতির, মিলবে হরেক কিসিমের শ্রাগস। রোদে বেরোলে অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন শ্রাগস।

এখন প্রশ্ন হল কীসের সঙ্গে পরবেন? ট্যাংক টপের সঙ্গে কিংবা স্লিভলেস কুর্তির সঙ্গে দিব্যি মানিয়ে যাবে লম্বা ঝুলের শ্রাগস। দিনের বেলা হলে বেছে নিন ফুলস্লিভ শ্রাগস। তবে, রাতে স্লিভলেস চলতেই পারে। আজকাল গামছা শ্রাগসও বেশরকমভাবে ফ্যাশন ইন। যে কোনও হ্যান্ডলুম ম্যাটেরিয়াল কিংবা সুতির শ্রাগস বেছে নিতে পারেন, যাদের প্রচণ্ড গরমে ত্বকে ব়্যাশ বা ফুসকুড়ির মতো সমস্যা হয় তারা। সানবার্ন-এর হাত থেকে বাঁচাও হল, আবার ফ্যাশনও হল.

Share your vote!


Do you like this post?
  • Fascinated
  • Happy
  • Sad
  • Angry
  • Bored
  • Afraid
Facebook Comment