রমজানে ফ্যাশন হোক বোরকা ও আবায়ায়

পবিত্র মাহে রমজানে ইসলামিক ফ্যাশনে পর্দানশীল হয়ে চলাফেরা করতে সবাই পছন্দ করে। ইসলামের বিধান মতাবেক মেয়েদের সব সময় পর্দার সহিত চলাফেরা করা উচিৎ। তবে যারা একটু ফ্যাশন প্রিয় তারা পর্দা এবং ফ্যাশন দুটোই একসাথে সেরে নিতে পারেন বাহারি ডিজাইনের বোরকা ও আবায়ায়।  মেয়েরা যারা বোরকায় অভ্যস্ত তাদের জন্য আজকের আয়োজন বাহারি ইসলামিক বোরকা ও  আবায়া নিয়ে। বোরকা তো সবাই চিনেন কিন্তু আবেয়া যারা চিনেন না দাতের জন্য বলছি এটিও বোরকার মতই। শরীরকে আবৃত করার এক ধরনের উন্নত পোশাক যেগুলো সোদি আরব এবং মালয়েশিয়াতে প্রচুর চলে।

বোরকাঃ

 

বোরকা এক ধরনের ধর্মীয় পোশাক। শরীরকে আবৃত করে বাড়ির বাইরে বের হবার জন্য মেয়েরা বোরকা ও হিজাব পরিধান করে। তবে বোরকা এখন আর ধর্মীয় পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই এটি এখন ফ্যাশনের অন্যতম একটি অংশ। আমাদের একটি কথা মনে রাখা উচিৎ বোরকা সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য নয়; সৌন্দর্য আবৃত রাখার জন্য। এমন বোরকা ব্যবহার করতে হবে, যা এই উদ্দেশ্য পূরণ করে।

 

বোরকার ব্যবহার অনেক আগেও ছিলো, রয়েছে সবসময়। তবে পরিবর্তন হয়েছে ধরন-ধারণে। পর্দা বা শালীনভাবে চলার পাশাপাশি বোরকা এখন মেয়েদের ফ্যাশনও। সেই ফ্যাশনও পরিববর্তন হচ্ছে দিনকে দিন। বোরকা এখন লং থেকে রূপান্তরিত হয়েছে শর্ট, থ্রি-কোয়ার্টারে। তবে যারা বোরকা, হিজাব কিংবা আবায়া পড়েন তারা সেই পোশাকের মধ্য দিয়েই নিজেকে ফুটিয়ে তোলেন।

আবায়াঃ

 

সবগুলো মুসলিম দেশে পর্দা বা শালীন ভাবে পরার পোশাক কে আবায়া বলে। আবায়া নামটি সৌদি আরবে বেশ পরিচিত। সৌদি আরবে নারীরা পা পর্যন্ত পুরো শরীর ঢেকে রাখার জন্য যে ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহার করে, তাকে আবায়া বলে। বোরকার চেয়ে এটি একটু বেশি স্টাইলিশ বলে মনে হয়। এর উপরের লেয়ারটাও বেশ চমৎকার ডিজাইনের। এটির দুই পাশে লেজ থাকে। দেখতে বেশ সুন্দর ও পরতে আরাম দায়ক।

 

রাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল গুলোতেই বোরকা ও আবায়া পাওয়া যাবে। কেনা যাবে ৪০০-১০০০০ টাকায়। তবে সবচেয়ে লেটেস্ট কালেকশনগুলো পাওয়া যাবে অনলাইন শপগুলোতে।

Share your vote!


Do you like this post?
  • Fascinated
  • Happy
  • Sad
  • Angry
  • Bored
  • Afraid
Facebook Comment