চরণযুগলে

জুতা হওয়া চাই আরামদায়ক।
‘একদা ছিল না জুতা চরণযুগলে’—শিক্ষামূলক কবিতাটির বিষয়বস্তু আদতে ফ্যাশনধারার হালচালের আলোচ্য নয়। তবু ঈদ ফ্যাশনে জুতা নিয়ে লিখতে গিয়ে এই লাইনটাই মাথায় আসার কারণ বোধ হয় আজকের দিনে জুতার সহজলভ্যতা। বাজার থেকে বাহারি দোকানের সামনে স্যান্ডেলের পসরা আপনারও নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে! ঈদের সময় পোশাক বাছা শেষ হলেই মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ে জুতার দোকানে। পোশাকের সঙ্গে মানানসই জুতা বেছে পাওয়াটাও কম ঝক্কির না। তবে আগে থেকে জুতার চলতি ধারা জানা থাকলে নিশ্চয়ই মন্দ হবে না?

গরম যখন ‘হট টপিক’

বাজারের হালচাল জেনেই লেখা হয় ফ্যাশনধারার কথা। ক্রেতার চাহিদার কথাও জানান বিক্রিবাট্টার দিককার মানুষেরা। গরমে আরাম চাই—এ তো নকশার প্রায় প্রতিটা পাতায় স্পন্দিত হচ্ছে কয়েক সংখ্যা ধরে। জুতা প্রসঙ্গেও সেই কথাটাই শোনা গেল। খোলামেলা, আরামদায়ক জুতাই বেশি আনছে জুতা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো।

ছেলেদের ফরমাল জুতায় আছে দুই রঙের শেডের ব্যবহার। কিছুটা চকচকে দেখতে জুতাও চলছে এবার। আবার মলিন (ফেড) জুতাও দেখা যাবে। প্রথম দেখাতে যা মনে হবে পুরানো। কোনো কোনো জুতার সামনে থাকছে ঝোলানো বাড়তি অংশ। স্যান্ডেল শুর ফিতার কাটে আছে বৈচিত্র্য, কোনোটিতে আছে দুই রঙের ফিতার ব্যবহার।

ফ্যাশনধারা যেমন

ফুলেল ধারার নকশা করা মেয়েদের জুতা বাজারের একটা বড় অংশে দেখা যাচ্ছে। পাথর, পুঁথি, বিডস, চুমকি, বো-এমন নানান অনুষঙ্গ থাকছে মেয়েদের জুতায়। ধাতব চেন বা অন্যান্য ধাতব নকশাও লক্ষণীয়। ভেলভেট কাপড় ও এমব্রয়ডারি নকশার ব্যবহারও রয়েছে জুতায়। নকশা থাকছে জুতার বড় হিলেও। স্বচ্ছ হিলের জুতাও নজর কাড়বে। নানান আকারের হিল ও বাহারি নকশার নানান ধাঁচের জুতা থেকে বেছে নিন পছন্দসই জুতাজোড়া। আজকের কিশোরী-তরুণীর জন্য স্যান্ডেল শুর কেবল ফিতাতেই যে কত কারুকাজ।

পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে জুতা পরতে দেখা যাবে

মূলত লেদার ও পিইউ লেদারের (কৃত্রিম চামড়া) জুতাই মিলবে বাজারে। জুতায় ডেনিমের ব্যবহার এনেছে বৈচিত্র্য।

Share your vote!


Do you like this post?
  • Fascinated
  • Happy
  • Sad
  • Angry
  • Bored
  • Afraid
Facebook Comment